মোট দেখেছে : 298
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

সুপারস্টারের সঙ্গে কাজের উচ্ছ্বাসই অন্যরকম: শাকিবকে নিয়ে পায়েল মুখার্জি

পায়েল মুখার্জি: আজ আমার কোনো শট নেই। আগামীকাল থেকে আমার অংশের শ্যুটিং শুরু হবে। আজ শ্যুটিংয়ের বিষয়গুলো বোঝার চেষ্টা করছি।

গ্লিটজ: ছবিতে আপনার সহশিল্পী শাকিব খান। তার সঙ্গে কাজের সুযোগটাকে কীভাবে দেখছেন?

পায়েল মুখার্জি: আমি শাকিব খানের ফ্যান। শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে এখনও শ্যুটিং হয়নি। সুপারস্টারের সঙ্গে কাজের উচ্ছ্বাসটা আসলেই অন্যরকম। সেই সঙ্গে অনেক চাপও থাকে। সুপারস্টারের সঙ্গে অভিনয় করা নায়িকার প্রতিও দর্শকদের আলাদা প্রত্যাশাও থাকে। তবে আমি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী।

গ্লিটজ: ছবিতে আপনাকে কাস্টিংয়ের জন্য শাকিবই নাকি প্রযোজককে পরামর্শ দিয়েছিলেন?

পায়েল মুখার্জি: ঠিক বলতে পারব না। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে আমাকে কল দিয়েছিল। অফিসিয়ালি আলাপ হয়েছে।তার আগে সিলেকশন পর্বে ডিরেক্টর-প্রডিউসাররা আমাকে দেখেছেন, তারপর চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করেছেন।গ্লিটজ: চলচ্চিত্রে তো আপনি একা নায়িকা নন, বুবলিও আছেন। চিত্রনাট্যে আপনার চরিত্রটি কতোটা গুরুত্ব পেয়েছে বলে মনে করছেন?

পায়েল মুখার্জি: সিনেমায় মাত্র দুটি নারী চরিত্র। টানটান গল্প। গল্পের প্রয়োজনে যতটুকু দরকার সেই দিক থেকে আমি চরিত্রটি নিয়ে বেশ সন্তুষ্ট। চরিত্রে আমার কাজের জায়গা কতটুকু আছে সেটাই আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

গ্লিটজ: ‘ক্যাপ্টেন খান’-এর শ্যুটিং শেষের আগেই ‘বয়ফ্রেন্ড’ নামে আরেকটি ঢাকাই চলচ্চিত্রে আপনি কাজ করছেন বলে খবর এসেছে সংবাদমাধ্যমে। ছবিটির হালনাগাদ তথ্য কী?

পায়েল মুখার্জি: সাইন করা হয়েছে। সহশিল্পী হিসেবে আছেন তাসকিন। ইতোমধ্যে স্ক্রিপ্ট পড়েছি। স্বতন্ত্র একটা গল্প। আমার চরিত্রের উপর ভর করেই এগিয়েছে গল্পটা। অনেকটা সময় দর্শক আমাকে স্ক্রিনে পাবেন। ২০ জুন থেকে ছবিটির শ্যুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

গ্লিটজ: তবে ঢাকায় আপনার প্রথম চলচ্চিত্র ছিল ‘শ্যাওলা’। ঘটা করে মহরতও হল। ছবিটি কি শেষ হয়েছে?

পায়েল মুখার্জি: ছবিটা শুরু হয়েছিল, শেষ হয়নি। কেন সেটা প্রডিউসার ভালো বলতে পারবেন।

গ্লিটজ: ঢাকার ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে আপনার যোগসূত্র কীভাবে?

পায়েল মুখার্জি: প্রত্যেকটা যোগাযোগই স্বতন্ত্র। কলকাতা ও ঢাকার ইন্ডাস্ট্রি খুব রিলেটেড। অনেক আগে থেকেই ঢাকায় কাজের ইচ্ছা ছিল। কারণ আমার মনে হয়েছে, আমাদের একই সংস্কৃতি। অনেক বেশি বাঙালি দর্শক রয়েছে ঢাকায়। বাঙালি হয়ে ঢাকায় কাজ না করলে কাজটা ঠিক হবে না। আমার পূর্বসূরিরাও দুই বাংলায় কাজ করে গেছেন।

গ্লিটজ: বাংলাদেশি চলচ্চিত্র দেখেন?

পায়েল মুখার্জি: আমরা ছোটবেলায় বাংলাদেশি চ্যানেল দেখতাম। সেই সময় দেখেছি। জয়েন্ট ভেঞ্চারও আগে চলত। বেদের মেয়ে জোসনাসহ অনেক ছবি দেখেছি। আর কলেজ লাইফে নাটক দেখেছি। আমি বাংলাদেশি নাটকের ফ্যান। কারণ বাংলাদেশের নাটক খুব সাবলীল, অনেক বেশি স্বচ্ছন্দ। তিশা, জয়া আহসানের নাটক ভালো লাগে।গ্লিটজ: বাজেট, প্রোডাকশন হাউজ ও সহশিল্পীর বিবেচনায় কলকাতার চেয়ে ঢাকাতেই তো এখন আপনার ব্যস্ততা বেশি। নিজের ক্যারিয়ার কোন দিকে এগিয়ে নিতে চান?

পায়েল মুখার্জি: কাজের ক্ষেত্রে চরিত্রটা বেশি ম্যাটার করে। ঢাকার দুটো ছবি নিয়ে অনেক বেশি এক্সাইটেড। এর পরের সিনেমার স্টোরি পছন্দ হলেই করব।সেটা কলকাতায় হোক আর ঢাকায় হোক।

গ্লিটজ: অভিনয়ের ক্ষেত্রে কাকে অনুসরণ করেন?

পায়েল মুখার্জি: সুচিত্রা সেন। আমার ভীষণ প্রিয়। সেই সময়ে ওনার যে ব্যক্তিত্ব ছিল সেটা এখনকার অনেক নায়িকার মধ্যেও নেই।

গ্লিটজ: অভিনয়ে আপনার যাত্রা শুরু কীভাবে?

পায়েল মুখার্জি: ছোটবেলায় নাচ শিখেছি। ক্লাসিক্যাল নাচের তালিম নিয়েছি। কলেজ লাইফে স্টেজে নাটক করেছি। তবে বাড়ি থেকে বলা ছিল, গ্রাজুয়েশন করার পরে যা ইচ্ছা তাই করতে পারব। গ্রাজুয়েশনের পরই মূলত অভিনয় শুরু করেছি। ২০১৬ সালে কলকাতায় আমার প্রথম ছবি ‘ভানু’ মু্ক্তি পায়। এরপর ‘ফাঁস’, ‘চল কুন্তল’, ‘মাইকেল’সহ পাঁচটি কলকাতার ছবিতে কাজ করেছি।