মোট দেখেছে : 153
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

'সুবর্ণচরে গণধর্ষণের ঘটনা‘মধ্যযুগীয় কায়দায় বর্বরোচিত লোমহর্ষক’

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ঘরে ঢুকে স্বামী-সন্তানদের বেঁধে পিটিয়ে আহত করে তাদের সামনে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।


শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ ঘটনাকে ‘মধ্যযুগীয় কায়দায় বর্বরোচিত লোমহর্ষক’ বলে মন্তব্য করেন।


বিবৃতিতে কামাল হোসেন বলেন, ‘এই ঘটনা জাতি হিসেবে আমাদেরকে অত্যন্ত হেয়প্রতিপন্ন করেছে। কোনও গণতান্ত্রিক দেশে এমন ঘটনা কল্পনাও করা কঠিন।’


বিবৃতিতে বলা হয়, সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা গেছে ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে ওই নারী নিজের পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে চাইলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তাকে নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে বলে। ওই নারী তাদের কথায় সায় না দিয়ে নিজের পছন্দের প্রতীকে ভোট দেন। এরপর সন্ত্রাসীরা পারুলকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়।


ড. কামালের অভিযোগ, পুলিশ বাদীর কথিত মতে হুকুমের আসামিসহ অনেকের নাম বাদ দেওয়ায় আমি ক্ষোভ প্রকাশ করছি। অনতিবিলম্বে তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি করছি। এই ঘটনা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার, মৌলিক মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে হুমকির সম্মুখীন করেছে এবং এতে আমরা ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ, উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত।


কামাল হোসেন আরও বলেন, ‘এমন ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে জন্য দেশের মর্মাহত জনগণকেই উদ্যোগী হতে হবে। এই লজ্জা ওই নারীর নয় বরং এ লজ্জা সমগ্র জাতির। এ নির্যাতন আমাদের গণতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকারের।’


প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ধানের শীষে ভোট দেয়ার জের ধরে রাত ১১টার দিকে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলি ইউনিয়নের মধ্যম বাগ্যা গ্রামে সিএনজিচালকের স্ত্রী (৪০) গণধর্ষণের শিকার হন।

আরো দেখুন

আরও সংবাদ