মোট দেখেছে : 702
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

সৎ বিজ্ঞ বিচারকের অনন্য 'উদাহরণ' লেখক-রাজীব কুমার দাশ


একটু অনুভুতি আর শ্রদ্ধা সন্মান, স্মৃতি হয়ে মনের অজান্তে হলে ও মনে করিয়ে দেয়, জীবন যুদ্ধের সংগ্রাম আর জীবিকা অর্জনের সততার ফল প্রতিটি মানুষের কাছে থাকে উপরে ওঠা সুন্দর ঠিকানার সিঁড়ি যা বয়ে চলছে রাষ্ট্রের সৎ কর্মকর্তাদের জীবন কাহিনী


বিজ্ঞ বিচারক(অতিরিক্ত জজ) জনাব মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান স্যারের সাথে আজ প্রায় আট বৎসর পর হঠাৎ চলার পথে দেখা। সদা নিস্পাপ শিশু সুলভ বদন,পরোপকারী এ ব্যক্তিত্ব এজলাসে প্রখর দূর দৃষ্টি সম্পন্ন সত্য ও ন্যায়ের প্রতীক।

সিএমপি তে কাজ করাকালে কোতোয়ালি থানার নজু মিয়া লেনের আলোচিত জোড়া খুন মামলার আসামীর জবানবন্দী লিপিবদ্ধ করার পরে স্যারের আইনী বিভিন্ন পরামর্শ নিই। এ ছাড়া এখনো আইনী বিভিন্ন বিষয়ে বিরক্ত করি।


পিছনে দাঁড়ানো সোনা মনিরা স্যারের উত্তরসুরী। স্যার তাদের কাছে আমার পরিচয়টা বলার পর সোনামনিরা হুরুস্হুল করে স্যারকে ডিঙ্গিয়ে আমার দিকে আসতেই আমি আকষ্মিকতায় প্রথমে না বুঝলে ও বুঝতে বাকি নেই, দেবতুল্য নিস্পাপ শিশুরা আমাকে

সালাম করতে আসছে। বলছি এ কারনে যে,আমাদের সমাজে এখন পায়ে ধরে সালামের রেওয়াজ নেই বললেই চলে। যদি ও বা আমাদের ছেলেবেলায় আমরা করতাম,এখনো করি। স্যারকে জিজ্ঞেস করলাম,স্যার ওরা দেবতুল্য নিস্পাপ ওরা কেনো পায়ে ধরে

সালাম করবে? স্যার বললেন- বাচ্চারা এখনো নরম মাটির মতো,প্রকৃত শিক্ষা ও মানবীয় আচরনে ওদের গড়ার এখনি সময়। প্রতিটি পরিবার শিশুদের শিক্ষালয়,বাবা, মা হলো শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। স্যার নিজ হাতে আমড়া কিনে খাওয়ালেন।


আমার ভুঁইফোড় যৎসামান্য জ্ঞানে মহান কীর্তিমান সাদা মনের এ মানুষটির মহিমা ফুটিয়ে তোলা অসম্ভব এক ধরনের দু:সাহস ও বটে! তবে মানবীয় দর্শনে থাকা স্যারকে কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় এ টুকু বলতে পারি.

“”যে মোরে দিয়েছে সুখ,যে মোরে দিয়েছে দু:খ

আমি সবারে নমি ”


লেখক: রাজীব কুমার দাশ,ইন্সপেক্টর, বাংলাদেশ পুলিশ,

আরো দেখুন

আরও সংবাদ